বাংলাদেশের
মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা এখন সরাসরি ব্যাংক হিসাবে পাঠানো হচ্ছে
ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (EFT) পদ্ধতিতে। এতে বেতন পেতে দীর্ঘসূত্রতা ও হয়রানি অনেকাংশে কমে এসেছে। তবে সঠিকভাবে EFT ফরম পূরণ না করলে বেতন আটকে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। আজকের লেখায় জানবেন মাদ্রাসা EFT সম্পর্কে বিস্তারিত।
মাদ্রাসা ইএফটি কী?
EFT সিস্টেম মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারীদের বেতন, অবসর ও কল্যাণ সুবিধা সরাসরি তাদের ব্যাংক হিসাবে স্থানান্তর করে থাকে। মাদ্রাসা অধিদপ্তরের অধীনেও একই পদ্ধতি অনুসরণ করে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন পাঠানো হচ্ছে।
মাদ্রাসা EFT ফরমে যেসব তথ্য লাগবে
মাদ্রাসা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ফরমে মাদ্রাসার নাম ও ইআইআইএন (EIIN) নম্বর দিতে হবে। এরপর মাদ্রাসার অধ্যক্ষ অথবা সুপারের মুঠোফোন নম্বর দিয়ে ফরম পূরণের কার্যক্রম শুরু করতে হবে।
এছাড়া প্রতিষ্ঠান-সংশ্লিষ্ট অন্যান্য তথ্য যেমন Index Number, Payment Status, Religion, Home District, Designation ও Email-এর ঘরগুলোও সঠিকভাবে পূরণ করতে হয়। এই তথ্যগুলোর কোনোটিই এলোমেলোভাবে দেওয়া যাবে না — জাতীয় পরিচয়পত্র ও দাখিল/সমমান সনদের সাথে নাম হুবহু মিল থাকতে হবে।
[ EFT FORM ]
যেসব ডকুমেন্ট সংযুক্ত করতে হবে
সংযুক্তি হিসেবে লাগবে এনআইডি ফটোকপি, প্রথম ও সর্বশেষ এমপিও ফটোকপি, এবং ব্যাংক চেক বইয়ের প্রথম পাতার (কভার পেজ) ফটোকপি।
যে বিষয়গুলোতে বিশেষ সতর্ক থাকবেন
- নামের ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র ও দাখিল/সমমান সনদের নাম ইংরেজিতে একই হতে হবে।
- শাখার রাউটিং নম্বর সঠিকভাবে ইংরেজিতে লিখতে হবে।
- আবেদনকারী ও প্রতিষ্ঠান প্রধান উভয়ের স্বাক্ষর থাকা আবশ্যক।
- তথ্য পূরণের পর তা যাচাই করে নেওয়া উচিত, কারণ সামান্য বানান বা তারিখের অমিলেও EFT-তে বেতন পেতে দেরি হতে পারে।
শেষ কথা
মাদ্রাসা শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য EFT পদ্ধতি বেতন প্রাপ্তিকে সহজ ও দ্রুত করেছে। তবে ফরম পূরণের সময় প্রতিটি তথ্য নির্ভুলভাবে দেওয়া জরুরি, যাতে বেতন প্রক্রিয়ায় কোনো বিলম্ব না হয়। আপনার প্রতিষ্ঠানের সুনির্দিষ্ট ফরম উপরে নির্দিষ্ট স্থানে যুক্ত করে নিতে পারেন।